গ্রামীণ সব্জি হাটগুলিকে ফের জুড়ে দেওয়ার পরিকল্পনা
আমার বাংলা অনলাইন নিউজ ডেস্ক : গ্রামের সব্জির হাটগুলিকে আবার জুড়ে এক জায়গায় বসানোর উদ্যোগ রাজ্যের। সূত্রের খবর, অতিরিক্ত ভিড় থেকে করোনা সংক্রমণের আশঙ্কা বাড়ছে। সেক্ষেত্রে কলকাতার পার্শ্ববর্তী কয়েকটি জেলায় সব্জির পাইকারি গ্রামীণ হাট ভেঙে একাধিক জায়গায় বসার ব্যবস্থা করা হয়। এরপর লকডাউন শিথিল হয়ে যাওয়ায় হাটগুলিকে আবার পূর্বের অবস্থায় ফিরিয়ে আনার উদ্যোগ শুরু হল। প্রসঙ্গত, একটি হাট একাধিক জায়গা থেকে চালাতে গিয়ে বিভিন্নরকম সমস্যা তৈরি হচ্ছে।
সূত্রের আরও খবর, হাটগুলির পরিচালন ব্যবস্থার সঙ্গে যুক্ত ব্যক্তিরা নবান্নের শীর্ষকর্তাদের সঙ্গে আলোচনা শুরু করছেন বলে জানা যায়। হাটগুলির পরিস্থিতি পরিদর্শন করে এক্ষেত্রে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হবে। উল্লেখ্য, গ্রামীণ হাটগুলিতে কৃষকরা তাঁদের উৎপাদিত সব্জি-পণ্য নিয়ে আসেন। পাইকারি সব্জি ব্যবসায়ীরা তা কিনতে আসেন। কেনাবেচার সময়ে ব্যাপক জমায়েত হয় হাটগুলিতে। এই ভিড় কমানোর লক্ষ্যে একটি হাটকে দুটি অথবা ৩টি জায়গায় বসার ব্যবস্থা করা হয়। স্থানীয় সূত্রের খবর, উত্তর ২৪ পরগনা জেলার বনগাঁ ও নদিয়ার মদনপুরের হাট দু-ভাগে বিভক্ত করা হয়েছে। আবার ওই জেলার গোপালনগরের হাট ৩ জায়গায় ছড়িয়ে দিতে হয়েছে পরিস্থিতির কারণে। পাশাপাশি গোবরডাঙার হাট কিষাণ বাজারে ৩ দিন বসছে। ভিড় কমাতে ৫ দিন হাট বসানো হচ্ছে। বাগদায় অবশ্য বিকল্প জায়গা না মেলায় হাট ভাঙা সম্ভব হয়নি। ওই হাটটি বাংলাদেশ সীমান্তবর্তী এলাকায় অবস্থিত।

